সেবাসমূহ
কয়েকটি ছোট ছিদ্রের মধ্য দিয়ে ক্যামেরা ও সরু যন্ত্রপাতি ঢুকিয়ে করা হয় এমন কীহোল অপারেশন। গলব্লাডারের পাথর, হার্নিয়া ও অ্যাপেন্ডিসাইটিসের মতো সাধারণ সমস্যায় এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারিতে পেটের প্রাচীরে ৫ থেকে ১০ মিলিমিটার আকারের ছোট ছিদ্র করে একটি ক্যামেরা ও সরু যন্ত্রপাতি ঢোকানো হয়। এই পদ্ধতিতে অপারেশনের পরে রোগীর ক্ষত কম থাকে, ব্যথা কম হয় এবং অনেক দ্রুত সুস্থ হয়ে ঘরে ফেরত যায়। গলব্লাডারের পাথর, হার্নিয়া, অ্যাপেন্ডিসাইটিস এবং কিছু পেটের সমস্যায় এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
অপারেশনের আগে রোগীর ইতিহাস, শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষা করা হয়। অ্যানেস্থেশিয়ার পর ছোট ছিদ্রের মধ্য দিয়ে ক্যামেরা ঢুকিয়ে অপারেশন সম্পাদন করা হয় এবং প্রয়োজনে কয়েকটি ছোট ছিদ্রই যথেষ্ট হয়। অপারেশনের পর কয়েক দিন হাসপাতালে অবস্থান করতে হতে পারে এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে দৈনন্দিন কাজে ফিরে যাওয়া যায়।
প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সমস্যা ওষুধ ও খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনে নিয়ন্ত্রণে আসে, তাই আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

অনলাইনে অনুরোধ পাঠালে চেম্বার থেকে ফোন করে সময় নিশ্চিত করা হবে। চাইলে সরাসরি চেম্বারে ফোন করেও সিরিয়াল দিতে পারেন।