টিউমার কত প্রকার, কোনটি মারাত্মক এবং কখন চিকিৎসা নেওয়া জরুরি, জানুন এই ভিডিওতে।
শরীরের যেকোনো অংশে অস্বাভাবিক কোষ বিভাজনের ফলে তৈরি চাকা বা পিণ্ডকে সাধারণভাবে টিউমার বলা হয়। তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে টিউমার শুনলেই ক্যান্সারের ভয় কাজ করে, যা সবসময় সঠিক নয়। টিউমার মূলত দুই ধরনের: বিনাইন (Benign) বা নিরীহ টিউমার এবং ম্যালিগন্যান্ট (Malignant) বা ক্যান্সারযুক্ত টিউমার।
বিনাইন টিউমার শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়ায় না এবং সঠিক সময়ে অপারেশনের মাধ্যমে ফেলে দিলে এটি সাধারণত আর ফিরে আসে না বা জীবনহানিকর হয় না। তবে এটি বড় হয়ে আশপাশের অঙ্গ বা স্নায়ুতে চাপ সৃষ্টি করলে সমস্যা হতে পারে।
অন্যদিকে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং রক্ত বা লসিকার মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। তাই শরীরের কোথাও চাকা বা টিউমার অনুভূত হলে ভয় না পেয়ে একজন সার্জনের শরণাপন্ন হওয়া উচিত, যেন বায়োপসি বা হিস্টোপ্যাথলজির মাধ্যমে সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা যায়।



